• 0( 0 REVIEWS )
    0 STUDENTS

    ইন্সট্রাক্টর পরিচিতি

    মােঃ আরমার আলী, বর্তমানে প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মকর্তা আছেন সরকারি ছাগল উন্নয়ন খামার, চুয়াডাঙ্গায়। এর আগে তিনি সরকারি ছাগল উন্নয়ন উপকেন্দ্র, ঝিনাইদহে কর্মরত ছিলেন। পড়াশােনা করেছেন পশু পালন অনুষদ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ থেকে, ১৯৮৭-১৯৮৮ ব্যাচ।

    এছাড়া কোর্সটি শেষ করার পর আপনি কোর্স কমপ্লিশন সার্টিফিকেটও পেয়ে যাবেন।

    কিভাবে জয়েন করবো কোর্সটিতে?

    ‘Take This Course’ বাটনে ক্লিক করুন। আপনি লার্নিং বাংলাদেশ প্ল্যাটফর্মের পেমেন্ট গেটওয়ে ভিসা/মাস্টারকার্ড বা মোবাইল ওয়ালেট বিকাশ/রকেটের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন।

    এর পাশাপাশি যদি আপনি টেকনিক্যাল ইস্যু ফেইস করে থাকেন তাহলে আমাদের পার্সোনাল বিকাশ, নগদ কিংবা রকেটে কোর্স ফি সেন্ড মানি করতে পারেন আপনার মোবাইল নাম্বার রেফারেন্সে উল্লেখ করে।

    বিকাশ: +8801711283732  ।  নগদ: +8801711283732  ।  রকেট: +88017112837329

    তবে এভাবে ম্যানুয়ালি পেমেন্ট করলে আপনাকে অবশ্যই এই ফর্ম টি পূরণ করতে হবে সঠিক তথ্য দিয়ে।
    ফর্ম এ যেতে এখানে ক্লিক করুন পারসোনালি টাকা পাঠানোর পরবর্তী ফর্ম

    আমরা ফিরতি কলে আপনার কাছ থেকে বিস্তারিত জেনে এনরোল করিয়ে দিব।

    বিস্তারিত জানতে কল করুন

    01736461937

    Share on facebook
    Facebook
    Share on whatsapp
    WhatsApp
    Share on linkedin
    LinkedIn
    ৳ 300.00
  • 0( 0 REVIEWS )
    2 STUDENTS

    অ্যানিমেশন হল একটি স্বপ্নের কাজ যার আজকের বিশ্বে অনেক চাহিদা, যদি আপনি অ্যানিমেশনের সঠিক নিয়মগুলি বজায় রাখতে না জানেন, তবে আপনার কাজ একেবারেই অর্থহীন বলা চলে।

    যে কেউ এই কোর্সটি সম্পন্ন করে যে কোন 2D অ্যানিমেশন করতে পারবেন।
    উদাহরণ: অক্ষর অ্যানিমেশন, পাখি অ্যানিমেশন, পোকামাকড়, বন্য প্রাণী ইত্যাদি।

    কোর্স শেষ করে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন কখন এবং কীভাবে অ্যানিমেশনে কোন নিয়ম প্রয়োগ করবেন। 

    দ্বিমাত্রিক অ্যানিমেশন (2D animation) কী?

    দ্বিমাত্রিক ছবি সংযোগ এবং সম্পাদনা করে ‘দ্বিমাত্রিক অ্যানিমেশন’ বা (2D animation) নির্মাণ করা হয়।
    দ্বিমাত্রিক ছবিটি কম্পিউটারের সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে আঁকা হতে পারে বা হাতে এঁকে স্ক্যান করে নেওয়াও হতে পারে। 

    এছাড়া কোর্সটি শেষ করার পর আপনি কোর্স কমপ্লিশন সার্টিফিকেটও পেয়ে যাবেন।

    কিভাবে জয়েন করবো কোর্সটিতে?

    ‘Take This Course’ বাটনে ক্লিক করুন। আপনি লার্নিং বাংলাদেশ প্ল্যাটফর্মের পেমেন্ট গেটওয়ে ভিসা/মাস্টারকার্ড বা মোবাইল ওয়ালেট বিকাশ/রকেটের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন।

    এর পাশাপাশি যদি আপনি টেকনিক্যাল ইস্যু ফেইস করে থাকেন তাহলে আমাদের পার্সোনাল বিকাশ, নগদ কিংবা রকেটে কোর্স ফি সেন্ড মানি করতে পারেন আপনার মোবাইল নাম্বার রেফারেন্সে উল্লেখ করে।

    বিকাশ: +8801711283732  ।  নগদ: +8801711283732  ।  রকেট: +88017112837329

    তবে এভাবে ম্যানুয়ালি পেমেন্ট করলে আপনাকে অবশ্যই এই ফর্ম টি পূরণ করতে হবে সঠিক তথ্য দিয়ে।
    ফর্ম এ যেতে এখানে ক্লিক করুন পারসোনালি টাকা পাঠানোর পরবর্তী ফর্ম

    আমরা ফিরতি কলে আপনার কাছ থেকে বিস্তারিত জেনে এনরোল করিয়ে দিব।

    বিস্তারিত জানতে কল করুন

    01736461937

    Share on facebook
    Facebook
    Share on whatsapp
    WhatsApp
    Share on linkedin
    LinkedIn
    ৳ 500.00
  • 0( 0 REVIEWS )
    2 STUDENTS

     “কোডিং শিখুন, সম্ভাবনাময় ক্যারিয়ার গড়ুন”

    প্রতি ১ মিনিটে প্রায় ৫৭১ টি নতুন ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে তার মানে, ঘণ্টায় ৩৪২৬০ টি!!
    Yahoo! এর করা জরীপে দেখা গেছে, শুধুমাত্র আমেরিকাতেই প্রতি মাসে প্রায় ১৬ মিলিয়নের বেশী ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়ে থাকে! যার প্রায় ৭০% এরও বেশী করা হয় প্রোফেশনাল ওয়েব ডেভলপার হায়ার এর মাধ্যমে এবং যার মার্কেট ভেল্যু ২০.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। নতুন করে কি আর বলতে হয়, ওয়েব ডেভলপারের চাহিদা এবং এর ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার?

    এখন যদি আপনি ওয়েব ডেভেলপমেন্টকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চান সেক্ষেত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ জানতে হবে। তাহলে আপনার উচিত ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বুটক্যাম্পে জয়েন হওয়া। এখানে এক্সপার্ট মেন্টরে সহযোগিতায় সঠিক গাইডলাইনের মাধ্যমে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে পারবেন।

    কী থাকবে এই প্রোগ্রামে?

    HTML
    CSS
    Bootstrap
    WordPress & Ecommerce
    JavaScript, jQuery& AJAX
    Core PHP
    Object Oriented Concepts
    Database

    কিভাবে জয়েন করবো কোর্সটিতে?

    ‘Take This Course’ বাটনে ক্লিক করুন। আপনি লার্নিং বাংলাদেশ প্ল্যাটফর্মের পেমেন্ট গেটওয়ে ভিসা/মাস্টারকার্ড বা মোবাইল ওয়ালেট বিকাশ/রকেটের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন।

    এর পাশাপাশি যদি আপনি টেকনিক্যাল ইস্যু ফেইস করে থাকেন তাহলে আমাদের পার্সোনাল বিকাশ, নগদ কিংবা রকেটে কোর্স ফি সেন্ড মানি করতে পারেন আপনার মোবাইল নাম্বার রেফারেন্সে উল্লেখ করে।

    বিকাশ: +8801711283732  ।  নগদ: +8801711283732  ।  রকেট: +88017112837329

    তবে এভাবে ম্যানুয়ালি পেমেন্ট করলে আপনাকে অবশ্যই এই ফর্ম টি পূরণ করতে হবে সঠিক তথ্য দিয়ে।
    ফর্ম এ যেতে এখানে ক্লিক করুন পারসোনালি টাকা পাঠানোর পরবর্তী ফর্ম

    আমরা ফিরতি কলে আপনার কাছ থেকে বিস্তারিত জেনে এনরোল করিয়ে দিব।

    বিস্তারিত জানতে কল করুন

    01736461937

    Share on facebook
    Facebook
    Share on whatsapp
    WhatsApp
    Share on linkedin
    LinkedIn
    ৳ 7,000.00
  • 0( 0 REVIEWS )
    0 STUDENTS

    ইঞ্জিনিয়ারিং ফিল্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা হল ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। বিভিন্ন সিম্পল বা কমপ্লেক্স সার্কিট ডিজাইন দিয়ে হাতেখড়ি হয় ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের। ধীরে ধীরে  সাব-স্টেশন ডিজাইন, হোম ওয়্যারিং ডিজাইন থেকে শুরু করে এমন কোন কাজ নেই যা ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়াররা করেন না। এমিটার, ভোল্টমিটার, ওসসিলোস্কোপ নিয়ে নাড়াচারা শুরু করা প্রথম বর্ষের ইঞ্জিনিয়াররা একসময় আইসি,ইনভার্টার, পিএলসি প্রভৃতি নিয়ে কাজ করেন। কর্মক্ষেত্রে গিয়ে তার পরিচিতি ঘটে বিভিন্ন অটোমেটেড মেশিনের জটিল জটিল কিছু সার্কিট ডায়াগ্রামের সাথে যা বিভিন্ন ইলেক্ট্রিক্যাল কম্পোনেন্টের সমন্বয়ে তৈরি। এভাবে ধীরে ধীরে জীবনের আষ্টেপৃষ্টে বিভিন্ন ইলেক্ট্রিক্যাল ডায়াগ্রামকে জীবনপথে জড়িয়ে নেন একজন ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রেড বোর্ড, রেজিস্টেন্স, ক্যাপাসিটর ইত্যাদির সাহায্যে ম্যানুয়েল সার্কিট ডিজাইনের পাশাপাশি অনেকেই সফটওয়্যারে সার্কিট ডিজাইনও শুরু করে দেন। এক্ষেত্রেই সবার প্রথম পছন্দই হল অটোক্যাড ইলেক্ট্রিক্যাল।

    ইন্সট্রাকটর পরিচিতি

    আলী কায়সার, একজন ইঞ্জিনিয়ার ও ডিজাইনার। বিএসসি করেছেন, ম্যাটেরিয়ালস এন্ড ম্যাটালার্জিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এ বুয়েট থেকে। এরপর বেশ কয়েক বছর সফলতার সাথে কাজ করেছেন দেশের সনামধন্য ফ্যাক্টরিতে ম্যাটেরিয়াল সিলেকশন ও প্রোডাক্ট ডিজাইনিং এ। এখন তিনি Safe Venture (IT Company) সিইও হিসেবে কাজ করছেন।

    কেন শিখবেন অটোক্যাড

    অটোক্যাড ইলেক্ট্রিক্যাল অটোডেস্কের একটি প্রোডাক্ট। অটোক্যাড সফটওয়্যারটির সাথে অটোক্যাড ইলেক্ট্রিক্যাল সফটওয়্যারটির ট্যাব, রিবন, স্ট্যটাস বার, কুইক এক্সেস টুলবার প্রভৃতির কিছু মিল থাকলেও বেশ কিছু বৈসাদৃশ্যও আছে। অটোক্যাড এর সফটওয়্যারটির অন্যতম একটি ফিচার হল প্রজেক্ট ম্যানেজার। প্রজেক্ট ম্যানেজারের মাধ্যমে আপনি সব কাজগুলো গুছিয়ে করতে পারবেন ও আপনার কাজগুলো ট্র্যাক করতে ও পারবেন। এছাড়াও ইলেক্ট্রিক্যাল বিভিন্ন সার্কিট ডিজাইনের জন্য  রয়েছে বিভিন্ন কমান্ড যেমনঃ ইনসার্ট ওয়্যার, ইনসার্ট ল্যাডার, ইনসার্ট রাং ইন এ ল্যাডার, এড রাং নাম্বার এন্ড ওয়্যার নাম্বার, সোর্স এরো ও ডেস্টিনেশন এরো, প্যারেন্ট এন্ড চাইল্ড কম্পোন্যান্ট, ড্যাশ লিংক ওয়্যারিং, ইনসার্টিং কেবল মার্কার, ইনসার্ট সেভড সার্কিট, ইমপোর্ট নিউ সার্কিট ব্লক, কপি সার্কিট এন্ড মুভ সার্কিট, সার্কিট বিল্ডার,প্রজেক্ট টাস্ক লিস্ট, স্কুট কমাণ্ড, সার্ফার কমান্ড ইত্যাদি।  এসব অত্যাধুনিক কমান্ডগুলো অটোক্যাড ইলেক্ট্রিক্যালের ব্যবহারকে করেছে অনেক সহজ ও মসৃণ। অটোক্যাড ইলেক্ট্রিক্যালের এই ফিচারগুলো সিম্পল বা কমপ্লেক্স সব সার্কিটকেই সফটওয়্যারে নিয়ে  এসেছে খুব সহজসাধ্য ব্যপারে। আগে যেসব সার্কিট ম্যানুয়েলি ডিজাইন করা বেশ কষ্টসাধ্য ছিল তাই এখন খুব সহজেই একটি সিংগেল ক্লিকের সাহায্যে ইমপোর্ট করা যাচ্ছে অটোক্যাড ইলেক্ট্রিক্যালের সাহায্যে।

    এতসব অসাধারণ ফিচারের সমন্বয়ে গঠিত  অটোক্যাড ইলেক্ট্রিক্যাল এখন হয়ে উঠেছে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য এক ক্রেজ। চাকুরিরত সিনিয়র ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ভাই-বোনদের পরামর্শে   ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর শিক্ষার্থীরা এখন খুব সহজেই অটোক্যাড ইলেক্ট্রিক্যালের পারদর্শিতা অর্জন শিক্ষাজীবনেই গ্রহন করছেন যাতে চাকুরির বাজারে তারা অন্যদের চেয়ে অনেক এগিয়ে থাকেন। এমনকি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অটোক্যাডের পাশাপাশি অটোক্যাড ইলেক্ট্রিক্যালের কোর্স গ্রহন করছেন সনামধন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। তাদের ভাষ্যমতেও শিক্ষার্থীরা অটোক্যাডের পাশাপাশি অটোক্যাড ইলেক্ট্রিক্যালেও ব্যপক আগ্রহ দেখাচ্ছে যেহেতু ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য অটোক্যাডের চেয়ে অটোক্যাড ইলেক্ট্রিক্যাল সফটওয়্যার ব্যবহার করা আসলে অনেক সময় সাশ্রয়ী।

    শিক্ষার্থী অবস্থাতেই অনেকে জড়িয়ে পড়েন ফ্রিল্যান্সিং এ। নিজের হাতখরচ, ভার্সিটির টিউশন ফি চালানোর জন্য আউটসোর্সিং এখন শিক্ষার্থীদের জন্য হয়ে এসেছে আশীর্বাদস্বরূপ। আউটসোর্সিং এর বিভিন্ন ক্যাটাগরির কাজের মধ্যে ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতা তুলনামুলকভাবে কম থাকে। তাই এই ক্যাটাগরির ইলেক্ট্রিক্যাল ডিজাইনিং এর বিভিন্ন কাজ জানা থাকলে আসলে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করা অনেক সহজ হয়ে যায়। তাই এ বিষয়টি সহজেই বোঝা যাচ্ছে যে, অটোক্যাড ইলেক্ট্রিক্যালের পারদর্শিতা আপনার ফ্রিল্যান্সিং জীবনকে করে তুলবে অনেক সমৃদ্ধ। আউটসোর্সিং এ এখন তুমুল প্রতিযোগিতার বাজার। ছোটখাট সাধারণ কাজগুলো করার জন্য প্রচুর লোক থাকায় ক্লায়েন্টরা এখন আর কম দক্ষ লোকদের প্রতি খুব একটা ভরসা করছেন না। দক্ষতার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং সফটওয়্যারে পারদর্শী লোকেরা অন্যদের চেয়ে স্বভাবতই এগিয়ে থাকেন। তাই, এটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায় যে, অটোক্যাড ইলেক্ট্রিক্যাল ২০১৯ এ পারদর্শিতা আপনাকে অন্য সবার চেয়ে রাখবে আউটসোর্সিং জগতে অনেকটাই এগিয়ে।

    ইলেক্ট্রিক্যালের অনেক শিক্ষার্থীই শিক্ষাজীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করেন। এসব প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের মাধ্যমে তারা বিভিন্ন ধরণের স্কিল অর্জন করে থাকেন। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় সফটওয়্যারের ব্যবহার এখন আসলে চোখে পড়ার মত। তাই, বিভিন্ন সফটওয়্যারে দক্ষতা অর্জনে্র ব্যপারে এসব প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনকারী শিক্ষার্থীরা এখন  বেশ সচেতন। আর ইলেক্ট্রিক্যালের শিক্ষার্থীদের ক্ষেতরে তো অটোক্যাড ইলেক্ট্রিক্যাল সফটওয়্যারে পারদর্শিতা অর্জন করা ছাড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়াই আসলে কঠিন। তাই, অনেক প্রতিযোগীই এখন অটোক্যাড ইলেক্ট্রিক্যাল সফটওয়্যারের প্রতি ঝুঁকে পড়ছে। অনেকে এসব প্রতিযোগিতায় তেমন আগ্রহ না দেখালেও আসলে এইসব কম্পিটিশনে অংশগ্রহন করাটা কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য অনেক উপকারী। এই ধরণের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পরিচিত হন বিভিন্ন কোম্পানীর ঊর্ধতন কর্মকর্তাদের সাথে। এর মাধ্যমে গড়ে ওঠে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক যা পরবর্তীতে কর্মজীবনের বিভিন্ন সময়ে অনেক সুবিধাজনক অবস্থায় নিয়ে আসে এই প্রতিযোগীদেরকে।একজন সফল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তোলার জন্য নেটওয়ার্কিং এর প্রয়োজনীয়তা বিশ্বব্যপীই সমাদৃত।

    চাকুরিজীবনে প্রবেশের সাথে সাথেই  ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়াররা  বিভিন্ন ধরণের অটোম্যাটিক অথবা সেমি অটোম্যাটিক মেশিনের ইলেক্ট্রিক্যাল ডায়াগ্রামের সাথে পরিচিত হতে থাকেন। এসব ক্ষেত্রে যারা আগে থেকেই অটোক্যাড ইলেক্ট্রিক্যালের বিভিন্ন সিম্পল বা কমপ্লেক্স সার্কিট ডিজাইনের সাথে পরিচিত থাকেন তারা আসলেই অন্য সবার চেয়ে এগিয়ে থাকেন। কারণ, অটোক্যাড ইলেক্ট্রিক্যালের বিভিন্ন ফিচারের সাথে ইলেক্ট্রিক্যাল কমপ্লেক্স সার্কিট ডিজাইন আসলে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত।এর ফলে, ম্যানেজমেন্টের কাছে খুব শিঘ্রই তারা হয়ে ওঠেন কোম্পানীর অপরিহার্য অংগরূপে। ফ্যক্টরির বিভিন্ন মেশিনের কমপ্লেক্স সার্কিট ডায়াগ্রাম সলভ করে মেশিনের বিভিন্ন প্রবলেম সলভ করার ক্ষেত্রে তারাই হয়ে ওঠেন নির্ভরতার প্রতীক।এরকম একটি ইমেজ তৈরি করতে পারা ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে আসলেই ভাগ্যের ব্যপার।

    চাকুরি করতে করতে অনেকেরই ইচ্ছা জাগে যে, নিজের এই ইঞ্জিনিয়ারিং জ্ঞান ব্যবহার করে একটি প্রতিষ্ঠান দাঁড় করিয়ে ফেলি। এমন উদ্যোক্তাদের জন্যও কিন্তু এই সফটওয়্যারে পারদর্শিতা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যপার হয়ে দাঁড়ায়। কারণ ক্লায়েন্টদের সাথে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইলেক্ট্রিক্যাল ডিজাইনের ডিল করার সময় তাদেরকে বিভিন্ন ধরণের নকশা দেখাতে হয়। এসব নকশা বিভিন্ন সময় যথোপযুক্ত পরিমান পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করতে হয় ক্লাইন্টের ডিমান্ড অনুযায়ী। তখন স্বল্প সময়ে ডিজাইনের এই পরিবর্তনের জন্য সফটওয়্যার হয়ে আসে মুশকিল আহসান বাবার ভূমিকায় ।

    সরকার দেশে এখন প্রচুর ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার বিভিন্ন পাওয়ার প্লান্টে নিয়োগ দিচ্ছে। এসব নিয়োগের ক্ষেত্রে ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের দেশের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টিং দেয়া হয়। এরপর তাদেরকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিষয়ের উপর ট্রেইনিং দেয়া হয়। যেহেতু, দেশে এখন সব সেক্টরের মত পাওয়ার সেক্টরও ডিজিটালাইজেশন হচ্ছে, তাই ট্রেইনিং এর বড় অংশ জুড়ে এসব সফটওয়্যারের ট্রেইনিং ও এখন ব্যপক গুরুত্ব পাচ্ছে। তাই, এটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায় যে, সরকারী চাকুরিজীবিদের ক্ষেত্রেও অটোক্যাড ইলেক্ট্রিক্যালের পারদর্শিতা যে সুফল বয়ে আনবে তা বলাই বাহুল্য।

    পরিশেষে, এটি নিশ্চিতভাবেই বলা যায় যে, ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য অটোক্যাড ইলেক্ট্রিক্যালের এই প্যাকেজটি আসলে এক বন্ধুর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। তাই একে তাড়াতাড়ি আলিংগন করে নেয়াই যেকোন ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের দায়িত্ব বলে আমি মনে করি।

    এছাড়া কোর্সটি শেষ করার পর আপনি কোর্স কমপ্লিশন সার্টিফিকেটও পেয়ে যাবেন।

    কিভাবে জয়েন করবো কোর্সটিতে?

    ‘Take This Course’ বাটনে ক্লিক করুন। আপনি লার্নিং বাংলাদেশ প্ল্যাটফর্মের পেমেন্ট গেটওয়ে ভিসা/মাস্টারকার্ড বা মোবাইল ওয়ালেট বিকাশ/রকেটের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন।

    এর পাশাপাশি যদি আপনি টেকনিক্যাল ইস্যু ফেইস করে থাকেন তাহলে আমাদের পার্সোনাল বিকাশ, নগদ কিংবা রকেটে কোর্স ফি সেন্ড মানি করতে পারেন আপনার মোবাইল নাম্বার রেফারেন্সে উল্লেখ করে।

    বিকাশ: +8801711283732  ।  নগদ: +8801711283732  ।  রকেট: +88017112837329

    তবে এভাবে ম্যানুয়ালি পেমেন্ট করলে আপনাকে অবশ্যই এই ফর্ম টি পূরণ করতে হবে সঠিক তথ্য দিয়ে।
    ফর্ম এ যেতে এখানে ক্লিক করুন পারসোনালি টাকা পাঠানোর পরবর্তী ফর্ম

    আমরা ফিরতি কলে আপনার কাছ থেকে বিস্তারিত জেনে এনরোল করিয়ে দিব।

    বিস্তারিত জানতে কল করুন

    01736461937

    Share on facebook
    Facebook
    Share on whatsapp
    WhatsApp
    Share on linkedin
    LinkedIn
    ৳ 2,500.00
  • 0( 0 REVIEWS )
    1 STUDENTS

    ২০১৭ সালের দিকে যখন ফেসবুক প্রথম প্রথম তাদের ফেসবুক পিক্সেল টুলসটি নিয়ে আসে, তখন চারিদিকে এটি নিয়ে একটি হৈ চৈ পড়ে যায়। যদিও বাংলাদেশে সেই হৈ চৈ এর ধাঁচ আসতে বেশ খানিকটা সময় লেগে গিয়েছিল। সেই সময় লার্নিং বাংলাদেশের ফাউন্ডার সাব্বির ভাইয়ার মতো আরো অনেকই চুটিয়ে মার্কেটপ্লেসে কাজ করে গিয়েছেন। তবে সময়ের সাথে সাথে ফেসবুক তাদের পিক্সেলকে আরো আপগ্রেড করেছে; সেই সাথে মার্কেটে বৃদ্ধি পেয়েছে কম্পিটিশন। তবে কিছু কিছু মানুষ কিন্তু ঠিকই সেখান থেকেই তৈরি করে নিয়েছে তাদের ক্যারিয়ার ডেভলোপমেন্টের পথ।

    Facebook Conversion API খুব নতুন একটি টুলস বা সিস্টেম না হলেও বর্তমানে এর জনপ্রিয়তা প্রায় আকাশচুম্বী। কেননা চায়নিজ প্রোডাক্ট নিয়ে আমেরিকান মার্কেটে যারা এতোদিন ধরে ড্রপশিপিং করতেন কিংবা আমেরিকা সহ অন্যান্য দেশগুলোতে যারা ইকর্মাস বিজনেস পরিচালনা করতেন, তাদের জন্য সেই ’১৭ সালের দিকে তৈরি হওয়ার ফেসবুক পিক্সেল আজ আর খুব একটা সার্পোট দিচ্ছে না। Mozilla Firefox এবং Safari এর মতো ব্রাউজারগুলো ITP (Intelligent Tracking Prevention) অ্যালগরিদম ব্যবহার করার ফলে মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি এবং ফানেল ডিজাইন করতে বেশ ভালো সমস্যায় পড়ছেন মার্কেটাররা। অন্যদিকে iOS 14 Update আসার পর থেকে তো ব্যবসা করাই প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এমনকি বিশ্বের বড় বড় এক্সপার্টরাও চিন্তিত এই সমস্যার সমাধান নিয়ে। এছাড়াও ব্রাউজার অ্যাড ব্লকার এক্সটেনশন এর ব্যবহারও সারা বিশ্বে কিন্তু কম নয়! প্রায় ২৮% ইউজার এর ব্রাউজারেই সেট করা থাকে অ্যাড ব্লকার এক্সটেনশন।তবে হ্যা, আপনাকে ও আপনার ক্লায়েন্টকে এই সকল সমস্যার সমাধান দিতে Facebook Conversion API। তাই আপনি যদি নিজেকে একজন এক্সপার্ট করে তুলতে পারেন এই সেক্টরে তাহলে আশা করাই যায় যে আপনি বেশ ভালো কিছু করতে পারবেন। 

    ✅ কোর্সটি কারা করবে?

    • যারা ডিজিটাল মার্কেটিং কে নিজেদের প্যাশন বা নেশা বলে মনে করেন। নতুন কিছু না শিখলে/জানলে যাদের রাতে ঘুম হয় না।
    • যারা নিজেদের বিজনেস বা ক্লায়েন্টের জন্য ডাটা ড্রিভেন ওয়েতে ফেসবুক মার্কেটিং করতে ইচ্ছুক।
    • যারা First World Country -গুলোতে Drop Shipping Business করতে ইচ্ছুক।
    • যারা ফ্রিল্যান্সিং করতে ইচ্ছুক কিন্তু একজন টেকনোলজিস্ট হিসেবে। অর্থ্যাৎ পরিশ্রম, আয়ের ব্য্যস্তানুপাতিক ও মাথা খাটানো আয়ের সমানুপাতিক ক্রিয়ায় প্রতিক্রিয়া করবে।
    • যারা অডিয়ান্সের ডাটা নিয়ে খেলা করতে ভালোবাসেন। 

    ✅ কেন এই কোর্সটিই করবেন?

    • নিজের ব্যবসাকে ডিজিটাল দুনিয়ায় বাংলাদেশের মার্কেটে আগামী ২০ বছরের জন্য Sustainable করতে চাইলে এই কোর্সটি করা আপনার জন্য ফরজ।
    • First World Country – এর ক্লায়েন্টেদের ফেসবুক মার্কেটিং সার্ভিস দিতে চাইলে কিংবা নিজে ব্যবসা করলে Conversion API ছাড়া মাঠে নামা আর তীর-ধনুক দিয়ে আমেরিকার সাথে যুদ্ধ করতে সমান কথা!!!
    • ফ্রিল্যান্সিং দুনিয়ায় ডিজিটাল মার্কেটিং সেক্টরে নিজেকে আরো এক ধাপ এগিয়ে রাখতে এই কোর্সটি আপনার জন্য আর্শীবাদ হতে পারে।

    ✅ কোর্সের প্রয়োজনীয়তা

    • iOS 14 ডিভাইসে Conversion API ছাড়া আপনার ফেসবুক মার্কেটিং সর্ম্পূণ অন্ধ। তাছাড়া Mozila Firefox & Safari ব্রাউজারেও Conversion API ছাড়া কাজ করতে গেলে আপনাকে বেশ ভালো বিড়ম্বনায় পড়তে হবে। ফলে আপনার টার্গেট অডিয়ান্স যদি iPhone ব্যবহারকারী হয়ে থাকে তাহলে কোর্সটি খুব কাজে লাগবে।
    • ২০২৩ সাল নগদ পৃথিবীর বেশিরভাগ ব্র্রাউজারই আপনাকে Facebook Pixel এর মাধ্যমে ইউজারদের ডাটা ট্র্যাকিং করতে দিবে না। ফলে এখনই প্রকৃত সময় Facebook Conversion API সর্ম্পকে জানা।
    • আপনার Pixel এর Data Security এর দিক থেকে চিন্তা করলেও Conversion API আপনাকে ১০০% ডাটার নিশ্চয়তা দিবে। ফলে আপনার ডাটা থাকবে শতভাগ সুরক্ষিত এবং কেউ চাইলেও আপনার ক্ষতি সাধন করতে পারবে না।

    ✅ ইন্সট্রাক্টর পরিচিতি

    নিজের পরিচয় দেওয়ার মতো আসলে এখনও তেমন কিছু করতে পারি নি। কাজ করি ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে। পড়াশোনা করছি ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে। ভালো লাগে নতুন কিছু শিখতে ও শেখাতে। সেই ভালোবাসার টানেই হয়তো আজকে লার্নিং বাংলাদেশের কোর্স ইন্সট্রাক্টর হয়ে এই পর্যন্ত আসা। আপনাদের ভালো কিছু দিতে পারলেই আমার এই প্রচেষ্টা স্বার্থক হবে।

    এছাড়া কোর্সটি শেষ করার পর আপনি কোর্স কমপ্লিশন সার্টিফিকেটও পেয়ে যাবেন।

    কিভাবে জয়েন করবো কোর্সটিতে?

    ‘Take This Course’ বাটনে ক্লিক করুন। আপনি লার্নিং বাংলাদেশ প্ল্যাটফর্মের পেমেন্ট গেটওয়ে ভিসা/মাস্টারকার্ড বা মোবাইল ওয়ালেট বিকাশ/রকেটের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন।

    এর পাশাপাশি যদি আপনি টেকনিক্যাল ইস্যু ফেইস করে থাকেন তাহলে আমাদের পার্সোনাল বিকাশ, নগদ কিংবা রকেটে কোর্স ফি সেন্ড মানি করতে পারেন আপনার মোবাইল নাম্বার রেফারেন্সে উল্লেখ করে।

    বিকাশ: +8801711283732  ।  নগদ: +8801711283732  ।  রকেট: +88017112837329

    তবে এভাবে ম্যানুয়ালি পেমেন্ট করলে আপনাকে অবশ্যই এই ফর্ম টি পূরণ করতে হবে সঠিক তথ্য দিয়ে।
    ফর্ম এ যেতে এখানে ক্লিক করুন পারসোনালি টাকা পাঠানোর পরবর্তী ফর্ম

    আমরা ফিরতি কলে আপনার কাছ থেকে বিস্তারিত জেনে এনরোল করিয়ে দিব।

    বিস্তারিত জানতে কল করুন

    01736461937

    Share on facebook
    Facebook
    Share on whatsapp
    WhatsApp
    Share on linkedin
    LinkedIn
    ৳ 2,500.00