• No products in the cart.

বর্তমান বিশ্বের সবথেকে সহজ, আলোচিত, সুন্দর, সাজানো-গুছানো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের নাম হচ্ছে পাইথন।

পাইথনের গুরুত্ব

পাইথনের গুরুত্ব অপরিসীম। আমরা অনেক সময় অল্প কাজ করে বেশি লাভবান হতে চাই। আসলে এমনটাই সম্ভব পাইথনে। আপনি যদি প্রতিদিন ঘন্টা করে মাস পাইথন অনুশীলন করেন তবে পাইথন আপনাকে অবশ্যই ফিডব্যাক দিবে। আপনি পাইথনের মাধ্যমে অনেক ধরণের সমস্যা সমাধান করতে পারবেন। যদি ভবিষ্যতে ডাটা সাইন্স, মেশিন লার্নিং, ডিপ লার্নিং, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, মোবাইল এপ্লিকেশন, ডেস্কটপ এপ্লিকেশন, ওয়েব ডেভেলপমেন্টের মতো কাজগুলা করার মতো ইচ্ছা থাকে তাহলে বলবো আর দেরি না করে এখনই পাইথন শিখতে বসে পড়ুন। পাইথন এত্ত সহজে শিখতে পারবেন এবং এত্ত এত্ত রিসোর্স পাবেন সব জায়গায় যেটা আপনাকে মুগ্ধ করে দিবে। একজন প্রোগ্রামার হতে চাইলে অবশ্যই শুরু থেকে সবকিছু বুঝে বুঝে অনুশীলন করতে হবে পাইথন আপনাকে সেই সাহায্যটা করবে।

কেন পাইথন শিখবেন

বর্তমানে বিশ্বের সকল স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে সবথেকে গুরুত্বের সাথে যেই প্রোগ্রামিং লাঙ্গুয়েজটা শিখানো হচ্ছে সেটা হচ্ছে পাইথন। তাহলে আমরা বুঝতেই পারছি পাইথনের জনপ্রিয়তা এবং গুরুত্ব। 

এখন কথা হচ্ছে আমি প্রোগ্রামিংয়ের “প” ও বুঝিনা সেক্ষেত্রে এই ধরণের ল্যাংগুয়েজে কিভাবে শিখবো। ইহা এমন ১ টি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেটা আপনি কিছু না জানলেও শিখে ফেলতে পারবেন এবং প্র্যাক্টিসের মাধ্যমে হয়ে যাবেন প্রোগ্রামিং বস। তাছাড়া কেউ যদি একদম শুরু থেকে বুঝে বুঝে প্রোগ্রামিং জিনিসটা শিখতে চাই তাহলে পাইথন হচ্ছে তার জন্যে সেরা ১ টা ল্যাঙ্গুয়েজ।

আমরা “ছোটবেলায় একের ভিতর সব ” এরকম ১ টা গাইড বা নোট ব্যবহার করতাম যেখানে ১ টার মধ্যেই সব থাকতো। এবং সহজেই আমরা সবকিছু একই জায়গা থেকে পেতাম যার ফলে এটা আমাদের কাছে বেশ জনপ্রিয় ছিল। পাইথন ঠিক এমনি ১ টা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেখানে আপনি একের মধ্যে অনেক কিছু শিখতে পারবেন। কেন পাইথন শিখবো তার প্রধান ৫ টা কারণ আজকে তুলে ধরার চেষ্টা করবো। 

১: কোডিং সিম্প্লিসিটি : আপনি যদি কোনো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে ছোট্ট ১ টা কোড লিখতে যান এরপরেও আপনাকে ন্যূনতম কিছু কোড লিখতে হবে। কিন্তু আপনি পাইথনে কোনো ধরণের স্ট্রাকচার না লিখেই সহজেই কোড লিখা শুরু করে দিতে পারবেন। এছাড়াও ব্রাকেট,সেমিকোলন, ক্লোনের মতো জিনিসগুলা আপনাকে কোনো ধরণের প্যারা দিবেনা, যার ফলে সহজেই আপনি কোড লিখে কাঙ্খিত ফলাফল পেতে পারেন। যেটা অনেকটা ইংরেজি ভাষা লিখার মতোই। 

২: বহুমুখিতা: আমি আগেই বলেছি এটা একের মধ্যে অনেক এমন ১ টা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।এর মাধ্যমে আপনি কি কি করতে পারবেন সেটার থেকেও বড়ো কথা হচ্ছে আপনি কি করতে পারবেননা।এর মাধ্যমে আপনি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট করতে পারবেন, ডাটা সাইন্স নিয়ে কাজ করতে পারবেন , আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কাজ করতে পারবেন , মেশিন লার্নিং -ডিপ লার্নিং নিয়ে কাজ করতে পারবেন, মোবাইল এপ্লিকেশন -ডেস্কটপ এপ্লিকেশন সব কিছু নিয়ে কাজ করতে পারবেন। হুম তাহলে ভাবছেন বাকি থাকলো কি ?সেটা এখন আপনিএকটু চিন্তা করেন। আপনি এর মাধ্যমে এমন কিছু ফীচার ব্যবহার করতে পারবেন যার ফলে জীবনটা আসলেই সুন্দর হয়ে উঠবে। 

৩: ব্যবহার: গুগল,ফেসবূক ,ইউ টিউব ,নাসা এইসব কোম্পানির নাম শুনেননি এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া দুস্কর হবে বলে মনে হয়।  হা বন্ধুরা এইসব কোম্পানি ছাড়াও আমাজন,নেটফ্লিক্স,ড্রপবক্স,পিন্টারেস্টের মতো বড়ো কোম্পানিগুলা এখন পাইথন ব্যাবহার  করছে। 

৪: যোগাযোগ: কোনো কিছু শিখতে গেলে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো এই বিষয়টা নিয়ে আমি কাদের সাথে যোগাযোগ করবো? কতজন আমাকে সাহায্য করতে পারবে? পাইথনের যোগাযোগ টা অনেক বড়ো বলতে গেলে বিশাল যোগাযোগ ব্যবস্থা হয়ে উঠেছে এখন। আপনি ফেইসবুক থেকে শুরু করে গুগল ইউ টিউব সব জায়গায় পাবেন এদের ডেভেলোপারগুলাকে। অর্থাৎ আপনি সহজেই যোগাযোগ করে আপনার সমস্যার সমাধান করতে পারবেন সাথে নিজেকে ডেভেলপ করতে পারবেন। 

৫: রিসোর্স: যত বেশি রিসোর্স ততবেশি সুবিধা। পাইথনের রিসোর্স এত্ত বেশি যে এটার বড়ো ধরণের কোনো নথিপত্র খুঁজে পেতে খুব বেশি বেগ পেতে হবেনা। খুব সহজেই আমাদের গুগল মামাকে প্রশ্ন করলে সে সকল ধরণের দিক নির্দেশনা দিয়ে দিবে। 

এছাড়াও আরো অনেক বেশি গুরুত্ব আছে যা আমরা কোর্সটি শিখতে শিখতে আলোচনা করবো। সাথেই থাকুন , সহজেই শিখুন।  

কোর্সটি কাদের জন্য

  • আমরা যারা প্রোগ্রামিংয়ের ‘প’ও পারি না কিন্তু শিখতে চাই।
  • আমরা যারা নিশ্চিত হয়ে গেছি এই ইহকালে আর যাই হোক প্রোগ্রামিংটা শেখা সম্ভব না।
  • আমরা যারা প্রোগ্রামিং পারি কিন্তু পাইথন ল্যাঙ্গুয়েজটা পারি না।
  • আমরা যারা পাইথন শিখতে চাই।
  • আমরা যারা পাইথন-২ পারি কিন্তু পাইথন-৩ এ মাইগ্রেট হতে চাই।
  • যারা প্রোগ্রামিংয়ের সবকিছু বুঝে বুঝে শিখতে চাই l
 

এছাড়া কোর্সটি শেষ করার পর আপনি কোর্স কমপ্লিশন সার্টিফিকেটও পেয়ে যাবেন।

কিভাবে জয়েন করবো কোর্সটিতে?

‘Take This Course’ বাটনে ক্লিক করুন। আপনি লার্নিং বাংলাদেশ প্ল্যাটফর্মের পেমেন্ট গেটওয়ে ভিসা/মাস্টারকার্ড বা মোবাইল ওয়ালেট বিকাশ/রকেটের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন।

এর পাশাপাশি যদি আপনি টেকনিক্যাল ইস্যু ফেইস করে থাকেন তাহলে আমাদের পার্সোনাল বিকাশ, নগদ কিংবা রকেটে কোর্স ফি সেন্ড মানি করতে পারেন আপনার মোবাইল নাম্বার রেফারেন্সে উল্লেখ করে।

বিকাশ: +8801711283732  ।  নগদ: +8801711283732  ।  রকেট: +88017112837329

তবে এভাবে ম্যানুয়ালি পেমেন্ট করলে আপনাকে অবশ্যই এই ফর্ম টি পূরণ করতে হবে সঠিক তথ্য দিয়ে।
ফর্ম এ যেতে এখানে ক্লিক করুন পারসোনালি টাকা পাঠানোর পরবর্তী ফর্ম

আমরা ফিরতি কলে আপনার কাছ থেকে বিস্তারিত জেনে এনরোল করিয়ে দিব।

বিস্তারিত জানতে কল করুন

01711283732

Facebook
WhatsApp
LinkedIn
READ MORE

বর্তমান বিশ্বের সবথেকে সহজ, আলোচিত, সুন্দর, সাজানো-গুছানো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের নাম হচ্ছে পাইথন।

পাইথনের গুরুত্ব

পাইথনের গুরুত্ব অপরিসীম। আমরা অনেক সময় অল্প কাজ করে বেশি লাভবান হতে চাই। আসলে এমনটাই সম্ভব পাইথনে। আপনি যদি প্রতিদিন ঘন্টা করে মাস পাইথন অনুশীলন করেন তবে পাইথন আপনাকে অবশ্যই ফিডব্যাক দিবে। আপনি পাইথনের মাধ্যমে অনেক ধরণের সমস্যা সমাধান করতে পারবেন। যদি ভবিষ্যতে ডাটা সাইন্স, মেশিন লার্নিং, ডিপ লার্নিং, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, মোবাইল এপ্লিকেশন, ডেস্কটপ এপ্লিকেশন, ওয়েব ডেভেলপমেন্টের মতো কাজগুলা করার মতো ইচ্ছা থাকে তাহলে বলবো আর দেরি না করে এখনই পাইথন শিখতে বসে পড়ুন। পাইথন এত্ত সহজে শিখতে পারবেন এবং এত্ত এত্ত রিসোর্স পাবেন সব জায়গায় যেটা আপনাকে মুগ্ধ করে দিবে। একজন প্রোগ্রামার হতে চাইলে অবশ্যই শুরু থেকে সবকিছু বুঝে বুঝে অনুশীলন করতে হবে পাইথন আপনাকে সেই সাহায্যটা করবে।

কেন পাইথন শিখবেন

বর্তমানে বিশ্বের সকল স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে সবথেকে গুরুত্বের সাথে যেই প্রোগ্রামিং লাঙ্গুয়েজটা শিখানো হচ্ছে সেটা হচ্ছে পাইথন। তাহলে আমরা বুঝতেই পারছি পাইথনের জনপ্রিয়তা এবং গুরুত্ব। 

এখন কথা হচ্ছে আমি প্রোগ্রামিংয়ের “প” ও বুঝিনা সেক্ষেত্রে এই ধরণের ল্যাংগুয়েজে কিভাবে শিখবো। ইহা এমন ১ টি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেটা আপনি কিছু না জানলেও শিখে ফেলতে পারবেন এবং প্র্যাক্টিসের মাধ্যমে হয়ে যাবেন প্রোগ্রামিং বস। তাছাড়া কেউ যদি একদম শুরু থেকে বুঝে বুঝে প্রোগ্রামিং জিনিসটা শিখতে চাই তাহলে পাইথন হচ্ছে তার জন্যে সেরা ১ টা ল্যাঙ্গুয়েজ।

আমরা “ছোটবেলায় একের ভিতর সব ” এরকম ১ টা গাইড বা নোট ব্যবহার করতাম যেখানে ১ টার মধ্যেই সব থাকতো। এবং সহজেই আমরা সবকিছু একই জায়গা থেকে পেতাম যার ফলে এটা আমাদের কাছে বেশ জনপ্রিয় ছিল। পাইথন ঠিক এমনি ১ টা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেখানে আপনি একের মধ্যে অনেক কিছু শিখতে পারবেন। কেন পাইথন শিখবো তার প্রধান ৫ টা কারণ আজকে তুলে ধরার চেষ্টা করবো। 

১: কোডিং সিম্প্লিসিটি : আপনি যদি কোনো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে ছোট্ট ১ টা কোড লিখতে যান এরপরেও আপনাকে ন্যূনতম কিছু কোড লিখতে হবে। কিন্তু আপনি পাইথনে কোনো ধরণের স্ট্রাকচার না লিখেই সহজেই কোড লিখা শুরু করে দিতে পারবেন। এছাড়াও ব্রাকেট,সেমিকোলন, ক্লোনের মতো জিনিসগুলা আপনাকে কোনো ধরণের প্যারা দিবেনা, যার ফলে সহজেই আপনি কোড লিখে কাঙ্খিত ফলাফল পেতে পারেন। যেটা অনেকটা ইংরেজি ভাষা লিখার মতোই। 

২: বহুমুখিতা: আমি আগেই বলেছি এটা একের মধ্যে অনেক এমন ১ টা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।এর মাধ্যমে আপনি কি কি করতে পারবেন সেটার থেকেও বড়ো কথা হচ্ছে আপনি কি করতে পারবেননা।এর মাধ্যমে আপনি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট করতে পারবেন, ডাটা সাইন্স নিয়ে কাজ করতে পারবেন , আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কাজ করতে পারবেন , মেশিন লার্নিং -ডিপ লার্নিং নিয়ে কাজ করতে পারবেন, মোবাইল এপ্লিকেশন -ডেস্কটপ এপ্লিকেশন সব কিছু নিয়ে কাজ করতে পারবেন। হুম তাহলে ভাবছেন বাকি থাকলো কি ?সেটা এখন আপনিএকটু চিন্তা করেন। আপনি এর মাধ্যমে এমন কিছু ফীচার ব্যবহার করতে পারবেন যার ফলে জীবনটা আসলেই সুন্দর হয়ে উঠবে। 

৩: ব্যবহার: গুগল,ফেসবূক ,ইউ টিউব ,নাসা এইসব কোম্পানির নাম শুনেননি এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া দুস্কর হবে বলে মনে হয়।  হা বন্ধুরা এইসব কোম্পানি ছাড়াও আমাজন,নেটফ্লিক্স,ড্রপবক্স,পিন্টারেস্টের মতো বড়ো কোম্পানিগুলা এখন পাইথন ব্যাবহার  করছে। 

৪: যোগাযোগ: কোনো কিছু শিখতে গেলে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো এই বিষয়টা নিয়ে আমি কাদের সাথে যোগাযোগ করবো? কতজন আমাকে সাহায্য করতে পারবে? পাইথনের যোগাযোগ টা অনেক বড়ো বলতে গেলে বিশাল যোগাযোগ ব্যবস্থা হয়ে উঠেছে এখন। আপনি ফেইসবুক থেকে শুরু করে গুগল ইউ টিউব সব জায়গায় পাবেন এদের ডেভেলোপারগুলাকে। অর্থাৎ আপনি সহজেই যোগাযোগ করে আপনার সমস্যার সমাধান করতে পারবেন সাথে নিজেকে ডেভেলপ করতে পারবেন। 

৫: রিসোর্স: যত বেশি রিসোর্স ততবেশি সুবিধা। পাইথনের রিসোর্স এত্ত বেশি যে এটার বড়ো ধরণের কোনো নথিপত্র খুঁজে পেতে খুব বেশি বেগ পেতে হবেনা। খুব সহজেই আমাদের গুগল মামাকে প্রশ্ন করলে সে সকল ধরণের দিক নির্দেশনা দিয়ে দিবে। 

এছাড়াও আরো অনেক বেশি গুরুত্ব আছে যা আমরা কোর্সটি শিখতে শিখতে আলোচনা করবো। সাথেই থাকুন , সহজেই শিখুন।  

কোর্সটি কাদের জন্য

  • আমরা যারা প্রোগ্রামিংয়ের ‘প’ও পারি না কিন্তু শিখতে চাই।
  • আমরা যারা নিশ্চিত হয়ে গেছি এই ইহকালে আর যাই হোক প্রোগ্রামিংটা শেখা সম্ভব না।
  • আমরা যারা প্রোগ্রামিং পারি কিন্তু পাইথন ল্যাঙ্গুয়েজটা পারি না।
  • আমরা যারা পাইথন শিখতে চাই।
  • আমরা যারা পাইথন-২ পারি কিন্তু পাইথন-৩ এ মাইগ্রেট হতে চাই।
  • যারা প্রোগ্রামিংয়ের সবকিছু বুঝে বুঝে শিখতে চাই l
 

এছাড়া কোর্সটি শেষ করার পর আপনি কোর্স কমপ্লিশন সার্টিফিকেটও পেয়ে যাবেন।

কিভাবে জয়েন করবো কোর্সটিতে?

‘Take This Course’ বাটনে ক্লিক করুন। আপনি লার্নিং বাংলাদেশ প্ল্যাটফর্মের পেমেন্ট গেটওয়ে ভিসা/মাস্টারকার্ড বা মোবাইল ওয়ালেট বিকাশ/রকেটের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন।

এর পাশাপাশি যদি আপনি টেকনিক্যাল ইস্যু ফেইস করে থাকেন তাহলে আমাদের পার্সোনাল বিকাশ, নগদ কিংবা রকেটে কোর্স ফি সেন্ড মানি করতে পারেন আপনার মোবাইল নাম্বার রেফারেন্সে উল্লেখ করে।

বিকাশ: +8801711283732  ।  নগদ: +8801711283732  ।  রকেট: +88017112837329

তবে এভাবে ম্যানুয়ালি পেমেন্ট করলে আপনাকে অবশ্যই এই ফর্ম টি পূরণ করতে হবে সঠিক তথ্য দিয়ে।
ফর্ম এ যেতে এখানে ক্লিক করুন পারসোনালি টাকা পাঠানোর পরবর্তী ফর্ম

আমরা ফিরতি কলে আপনার কাছ থেকে বিস্তারিত জেনে এনরোল করিয়ে দিব।

বিস্তারিত জানতে কল করুন

01711283732

Facebook
WhatsApp
LinkedIn
LESS

Course Reviews

5

5
1 ratings
  • 5 stars1
  • 4 stars0
  • 3 stars0
  • 2 stars0
  • 1 stars0
6 STUDENTS ENROLLED